নিঝুম দ্বীপের চিত্রা হরিণ

0
93

সর্বশেষ আপডেট জুন ৩০, ২০২১ | admin

নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার আশায় দুপুরের পর ঢাকার সদরঘাটের দিকে রওনা হলাম। বিকেল পাঁচটায় লঞ্চ ছেড়ে গেল হাতিয়ার তমুরুদ্দিনের উদ্দেশে। প্রায় সারা রাত জেগে হরেক রকমের মানুষের সঙ্গে আলাপ হলো। ভোরের আলো ফুটল মনপুরা গিয়ে। সেখান থেকে তমুরুদ্দিন পৌঁছাতে প্রায় ১১টা বেজে গেল। ঘাট থেকে ওসখালি বাজারে পৌঁছালাম একটা আধা ভাঙা বেবিট্যাক্সি নিয়ে। নাশতা খেয়ে রওনা হলাম জাহাজমারার দিকে। সেখান থেকে ভ্যানযোগে ঘণ্টাখানেক পর পৌঁছালাম মুক্তারিয়া ঘাটে। খেয়াঘাটের নৌকায় পার হলেই নিঝুম দ্বীপের সীমানা। নৌকাঘাট থেকে আরেকটি ভ্যানযোগে পৌঁছালাম নামার বাজারে বিকেল চারটায়। প্রায় ১৪ বছর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজের তত্ত্বাবধানে স্নাতকোত্তর পর্বের এক গবেষণাকাজে প্রথম নিঝুম দ্বীপের যাত্রার বর্ণনা ছিল এটি।

গবেষণাটির মূল বিষয় ছিল চিত্রা হরিণ। দীর্ঘ একটি বছরের প্রায় ৭১ দিন নিঝুম দ্বীপে কাটিয়েছিলাম। তারপর এই দ্বীপটার প্রায় অনেক মানুষেরই আমি পরিবারের অংশ হয়ে গিয়েছিলাম। বন অধিদপ্তরের প্রহরী মো. জলিলের বিছানার পাশে আমার রাতযাপন হতো। আর সারা দিন কাজ শেষে আলামিনের রাতের খাবার প্রশান্তি এনে দিত।

পূর্ববর্তী সংবাদসিলেটের হাটে নতুন জারা
পরবর্তী সংবাদসাত দশকের প্রচেষ্টায় ম্যালেরিয়ামুক্ত হলো চীন

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন